আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১২:৩৮ অপরাহ্


পুরো বছর জুড়ে ব্যস্ত কাজের মাধ্যমে থাকতে চান -রানা হোসেন

জুয়েল হিমু ….

কবি ও পরিচালক রানা হোসেন দীর্ঘ ৩০ বছর কবিতা লেখা,সংগঠন করার পাশাপাশি টিভি অনুষ্ঠান,নাটক পরিচালনার কাজ করছেন। মাঝে দু’বছর বিরতী থাকার পর কাজ করার প্রস্তাব আসতে থাকে। সব কাজ ফিরিয়ে দিলেও এবছর জুড়ে ৪টি প্রোডাকশন করবেন তাঁর মধ্যে টেলিফিল্ম ‘বাবার মুখ’,‘হাওয়াই সাইকেল’,বিশেষ খন্ড নাটক ‘ন্যায় পরায়ণ’ ও শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘পরাণ’ যার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। রানা হোসেন বলেন ‘পরাণ’ চলচ্চিত্রটি দর্শকদের ভালোলাগবে কারণ এ সময়ের গল্প এবং এই সমাজের গল্প এটি।

রানা হোসেনের পরিচালনার কাজ : ‘সুরের বেলা’ ১৯৯৫,‘কথাকলি’ ১৯৯৭,গান নিয়ে অনুষ্ঠান ‘গান সম্ভার’,প্যাকেজ নাটক ‘স্রোত’ ১৯৯৯,স্বল্পর্দৈঘ্য ‘নদীর কান্দন’ মুক্তি ও প্রদর্শিত হয়েছে কঁচি কাঁচার মেলায় ২৯ জুলাই ২০০১ (চার বার), এদেশের জনপ্রিয় কবিদের নিয়ে আবৃত্তি ভিসিডি ‘ভালোবাসার পঙ্ত্তিমালা’ ২০০৩,প্রামাণ্যচিত্র ‘আমার বাংলাদেশ’ প্রদর্শিত হয় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ২২শে সেপ্টেম্বর ২০০৪ এ (চারবার),‘অবরুদ্ধ নগর’ প্রামাণ্যচিত্র,কণ্ঠশিল্পীদের নিয়ে ‘মেঘে ঢাকা আকাশ’ ২০০৫,শিশুতোষ টেলিছবি ‘আলো আঁধারের জীবন’ ২০০৫, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘প্রতিকৃতি’,কণ্ঠশিল্পীদের নিয়ে ‘সুখ দুঃখের পদাবলী’ ২০০৭,সংগীতঅনুষ্ঠান ‘সুর ছন্দে আমাদের গান’ ২০০৮,টেলিছবি ‘জীবনের খেলাঘর’ ২০১০,শিশুকিশোরদের প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠান ‘ইচ্ছে ঘুড়ি’ ২০১০,হাসির নাটক ‘চাকু মাস্তান’,ভোলার জেলার মনপুরা চর নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ‘মনপুরার মানুষের জীবন’,পূর্ণ্যদৈর্ঘ চলচ্চিত্র ‘অগ্রদূত’,প্রামাণ্যচিত্র ‘অন্য জীবনের আলো ছায়া’,প্রামাণ্যচিত্র ‘আমাদের মগবাজার’,হাসির টেলিফিল্ম ‘সাইকেল চোর’ ২০১৬,হাসির টেলিফিল্ম ‘সাইকেল হিরু’,ধারাবাহিক প্রতিভাবান মানুষদের নিয়ে আর্ট-শো ‘জীবন বৃত্ত’-১৩ পর্ব প্রচারিত,পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘ভালোবাসা’র প্রজাপতি’,জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়া মানুষের সাফল্যের কথা নিয়ে ধারাবাহিক অনুষ্ঠান ‘আলো ছায়া’ নিয়মিত আবৃত্তি অনুষ্ঠান,‘কবিতার বৈচিত্র’,রোহিঙ্গাদের বর্তমান জীবন নিয়ে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘রহিঙ্গাদের আর্তনাদ’,মহান স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘রক্তে কাঁদা জলে’,বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘ফাল্গুনের ভালোবাসা’,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘বিষাদের ফাল্গুণ’,মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘দ্বীপ্ত চেতনা’,বৈশাখী’র বিশেষ আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘তোমার জন্য পঙ্ক্তিমালা’,ইসলামিক গানের অনুষ্ঠান ‘স্বপ্নঘুড়ি’,ঈদুল ফিতরের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ঈদের ফুল’ সহ আরো অনেক অনুষ্ঠান।


রানা হোসেনের প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘কবিতার মিছিল আজ’-১৯৯০ (কাব্যগ্রন্থ),‘আমি বৃক্ষের মতো’-১৯৯১ (কাব্যগ্রন্থ),‘বলার কিছু নেই’-১৯৯২ (কাব্যগ্রন্থ),‘আগুন জ্বলে বুকের গহিণে’-১৯৯৭ (কাব্যগ্রন্থ),‘বিরহকাল’-১৯৯৮(উপন্যাস),‘নিষিদ্ধ ছড়া’-১৯৯৮ (সম্পাদনা ছড়াগ্রন্থ),‘প্রেমের কবিতা’-১৯৯৮ (সম্পাদনা কাব্যগ্রন্থ’),‘অদৃশ্য স্বপ্ন ছিঁড়ে খায়’-২০০০ (কাব্যগ্রন্থ),‘সময়ের কবিতা’-২০০০ (সম্পাদনা কাব্যগ্রন্থ’),‘ফেরার সময় বলে আসতে পারিনি’-২০০৩ (কাব্যগ্রন্থ),‘স্রোত ভাঙ্গে মৃত্তিকা’-২০০৪ (কাব্যগ্রন্থ),‘এখনও যুদ্ধের ভেতর আছি’-২০১৮(কাব্যগ্রন্থ)।

কবি রানা হোসেন কবিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি ইতিমধ্যে বহু পুরস্কার লাভ করেছেন : ‘অংকুর পদক’ ১৯৯৮,‘অন্যভূবন পদক’ ২০০৩,আলোয় ভুবন শিশু কিশোর কেন্দ্রের ‘গুণিজন সম্মাননা’ ২০০৪,কেবি মাল্টি মিডিয়া’র ‘গুণিজন সম্মাননা’ ২০০৬,স্বাধীনতা সংসদের ‘স্বাধীনতা গুণিজণ সম্মাননা’ ২০০৭,‘জাতীয় কবি নজরুল সম্মাননা’ ২০০৭,সম্প্রীতি শিশু কিশোর কেন্দ্রের ‘সম্মাননা পদক’ ২০০৭,‘উপন্যাসিক মীর মোশারফ হোসেন সম্মাননা স্মারক’ ২০০৭,পরিবেশ সাংবাদিক সোসাইটির ‘বিচারপতি সৈয়দ মাহাবুব মোর্শেদ সম্মাননা স্মারক’ ২০০৭,‘শিল্পী আব্দুল মান্নান স্মৃতি পুরুস্কার’ ২০১৮। ভ্রমণ করেছে বাংলাদেশ প্রায় সব কটি জেলা এছাড়া কুয়েত,বাহারাইন,পাকিস্তান ও ভারত ভ্রমণ করেছে কয়েক বার।