আজ মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন


সুদের বোঝা সইতে না পেরে গাজীপুরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

রহমাতুল্লাহ: সুদের বোঝা সইতে না পেরে গাজীপুরের কালীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা করেছে। নিজ দোকানের ভেতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ঐ ব্যবসায়ীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। কালীগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এস আই আবুল হাসেম নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে উপজেলার কালীগঞ্জ পৌর এলাকার মূলগাঁও জেলে পাড়ার মৃত শষী চন্দ্র বর্মণের ছেলে দিলীপ চন্দ্র বর্মণ (৪০) প্রতি দিনের ন্যায় ব্যবসা সেরে রাত ১১টায় স্ত্রীর সাথে কথা বলে দোকানের ভিতর রাত্রি যাপন করেন। সকালে নিহতের স্ত্রী অঞ্জনা রানী বর্মণ ও কন্যা লিপিকা বর্মণ সকাল ৭টার দিকে দোকানে গিয়ে ডাকা ডাকি করে ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে লোকজনেরগাজীপুরের কালীগঞ্জে সুদের বোঝা সইতে না পেরে এক ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা করেছে। নিজ দোকানের ভেতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ঐ ব্যবসায়ীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

কালীগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এস আই আবুল হাসেম নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে উপজেলার কালীগঞ্জ পৌর এলাকার মূলগাঁও জেলে পাড়ার মৃত শষী চন্দ্র বর্মণের ছেলে দিলীপ চন্দ্র বর্মণ (৪০) প্রতি দিনের ন্যায় ব্যবসা সেরে রাত ১১টায় স্ত্রীর সাথে কথা বলে দোকানের ভিতর রাত্রি যাপন করেন। সকালে নিহতের স্ত্রী অঞ্জনা রানী বর্মণ ও কন্যা লিপিকা বর্মণ সকাল ৭টার দিকে দোকানে গিয়ে ডাকা ডাকি করে ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে লোকজনের সহায়তায় জানালা দিয়ে ভেতরে তাকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পায়। পরে লোকজনের সহযোগীতায় দোকানের সাটার খুলে থানা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী বিধু চন্দ্র বর্মনের স্ত্রী মায়ারানী বর্মন মূলত একজন সুদের ব্যবসায়ী। ইতোপূর্বে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। মায়া রানীর সুদের টাকার চক্র বৃদ্ধি হারের যন্ত্রণায় বেশ কয়েকটি হিন্দু পরিবার জায়গা-জমি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে গেছে। নিহত দিলীপ বর্মনও তার কাছ থেকে নেয়া সুদের ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরও তা চক্রবৃদ্ধি হারে ২ বছরে আরোও ৬ লাখ টাকা বকেয়ার কথা শুনে তা পরিশোধের কোন অন্ত না পেয়ে নিজেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছে। এ বিষয়ে মায়া রানী সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহত দিলীপ চন্দ্র বর্মন বিগত দুই বছর আগে প্রতি মাসে ৬ হাজার টাকা সুদ দেওয়ার শর্তে আমার নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়েছে। সহায়তায় জানালা দিয়ে ভেতরে তাকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পায়। পরে লোকজনের সহযোগীতায় দোকানের সাটার খুলে থানা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী বিধু চন্দ্র বর্মনের স্ত্রী মায়ারানী বর্মন মূলত একজন সুদের ব্যবসায়ী। ইতোপূর্বে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। মায়া রানীর সুদের টাকার চক্র বৃদ্ধি হারের যন্ত্রণায় বেশ কয়েকটি হিন্দু পরিবার জায়গা-জমি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে গেছে। নিহত দিলীপ বর্মনও তার কাছ থেকে নেয়া সুদের ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরও তা চক্রবৃদ্ধি হারে ২ বছরে আরোও ৬ লাখ টাকা বকেয়ার কথা শুনে তা পরিশোধের কোন অন্ত না পেয়ে নিজেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছে। এ বিষয়ে মায়া রানী সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহত দিলীপ চন্দ্র বর্মন বিগত দুই বছর আগে প্রতি মাসে ৬ হাজার টাকা সুদ দেওয়ার শর্তে আমার নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়েছে।