আজ মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ১১:৫১ অপরাহ্


প্রাথমিক শিক্ষাই হচ্ছে- আমাদের শিক্ষার মূল ভিত্তি……..ওসি মোঃ নবীর হোসেন

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি: চাঁদপুরের কচুয়ার ২৭নং আশারকোটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও রত্ন গর্ভা মা রৌশন আরাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইমাম হোসেন সোহাগ। যে দেশে গুনীজনের কদর দিতে জানে না সে দেশে গুনীজন জন্ম হয় না। যারা রৌশন আরার বিদায়ী বেলায় একটি সংবর্ধনা আয়োজন ওই শিক্ষকের জীবনে বড় পাওয়া নয়। তার পরেও যারা সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। গুনী শিক্ষক রৌশন আরা সারা জীবন শিক্ষকতার জন্য জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন। এ এলাকাকে আলোকিত করে গেছেন। তার মত একজন গুনী শিক্ষক দেশে বড়ই অভাব। আমি ব্যক্তিগত ভাবে রৌশন আরা বেগমের ভবিষ্যৎ সুস্বাস্থ্য ও পারিবারিক জীবনে সুখ শান্তি কামনা করছি।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানার ওসি মোঃ নবীর হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে- একজন শিক্ষার্থীর জীবনে মূল ভিত্তি। প্রাথমিক শিক্ষা যারা জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায় না। আজকে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এসময় তিনি শিক্ষার উন্নয়নে বিদায়ী প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা বিশেষ ভূমিকা রাখায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংবর্ধিত শিক্ষক ও বহু মানুষ গড়ার কারিগর রৌশন আরা বেগম, তার স্বামী অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক হাজী আব্দুল গফুর পাটোয়ারী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এডি সুলতান আহমেদ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা রোস্তম আলী, প্রাক্তন ছাত্র জিসান আহমেদ ও ইসমাইল হোসেন প্রমূখ।
সংবর্ধনা শেষে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা রৌশন আরাকে বিভিন্ন সম্মামনা ক্রেস্ট, উপহার সামগ্রী ও ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান। এসময় অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতা করেন, সাবেক শিক্ষার্থী জিসান আহমেদ, আবরারুল হক খাদেম, নাছির উদ্দিন, শরীফ হোসেন, হাবিব উল্যাহ, মিজানুর রহমান, আব্দুর রহিম, রমিজ, রিপন, কুদ্দুসসহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য যে, কচুয়ার তেগুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা বহু মানুষ গড়ার কারীগর রৌশন আরা বেগম ১৯৮১ সালের ১৪ অক্টোবর তৎকালীন সময়ে মতলব উপজেলার ১৬নং ইছাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালের ৩ মার্চ কচুয়া উপজেলার ২৭নং আশারকোটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুনাম ও সততার সাথে সুদীর্ঘ প্রায় ৩৪ বছর মহান শিক্ষকতার পেশায় জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করেন। তার স্বামী মোঃ আবদুল গফুর পাটওয়ারীও একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জননী।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১