আজ বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১১:২৭ অপরাহ্


কচুয়ায় গুপ্তধন পাওয়া নিয়ে এলাকায় তোলপাড়!

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের প্রসন্নকাপ গ্রামে গুপ্তধন পাওয়া নিয়ে এলাকায় আলোচনার ঝড় বয়ে চলছে। গুপ্তধন পাওয়ার তথ্যটি সত্য না মিথ্যা এ প্রশ্ন এখন লোকমুখে বইয়ে চলছে।
উপজেলার প্রসন্নকাপ গ্রামের মজুমদার বাড়ির কৃষক সালাউদ্দিনের স্ত্রী বিউটি আক্তার জানান- প্রায় ১৫ দিন পূর্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আমি ছাগল বাঁধার জন্য বাড়ি সংলগ্ন পূর্ব-উত্তরপাশে পুকুর পাড়ে যাই। সেখানে গিয়ে পুকুর পাড় থেকে কিছুটা নিন্মাংশে দেখি মাটির নিচে একটি পুরনো কলসি আকৃতির পাত্র, যার অংশ বিশেষ মাটির উপরে। এসময় তাকিয়ে দেখি কিছুটা দূরে ওই পুকুর পাড়ে প্রসন্নকাপ গ্রামের বেপারী বাড়ির আবুল কালামের পুত্র সিয়াম হোসেন (১৬) কে। এ কলসিতে গুপ্তধন রয়েছে এ বদ্ধমূল ধারনায় আমি তড়িগড়ি করে পাশের খড়কুটা টেনে এনে কলসিটি ঢেকে রাখি, হঠাৎ দেখি সিয়াম পুকুর পাড়ের ওই কলসি তোলার জন্য মাটি খনন করে সেটিকে তুলেছেন দাবি করলেও এখন তিনি এখন উল্টা সুর গাইছেন। তিনি বলছেন, আমি স্বপ্নে কিংবা বাস্তবে গুপ্তধন দেখি নাই এবং কাউকে এ বিষয়ে কিছু বলি নাই। একটি মহল গুজব ছড়িয়েছেন।
তবে গতকাল বুধবার সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ আজাদ ও ইউপি সদস্য হাজী মনির হোসেন মনু মেম্বার ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে ওই নারী গুপ্তধন দেখা বা পাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলে আমি গুপ্তধন দেখিনি। একটি মহল বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত বাড়া-বাড়ি করে আবুল কালাম ও তার ছেলেকে জড়িয়ে মিথ্যা অপ-প্রচার চালায়।
প্রসন্নকাপ গ্রামের অধিবাসী ইউপি সদস্য হাজী মনির হোসেন জানান বিষয়টি মোটেও সত্য নয়,এখানে গুপ্তধন থাকার বিষয়টি হাস্যকর। কিছু মানুষ এটি নিয়ে গুজব রটিয়েছে।
এদিকে গত কয়েকদিন ধরে প্রসন্নকাপ গ্রামে গুপ্তধন পাওয়ার বিষয়নিয়ে নানান গুঞ্জন উঠে। তা দেখতে স্থানীয় উৎসুখ লোকজন ওই এলাকায় ভীড় জমায়।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯