আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০২:০৩ অপরাহ্


সাচার বাজারঃ স্থিতিশীল বাজারে চাল আর ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কিছুটা ঊর্ধমুখী।

আব্দুল আহাদঃ মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তের প্রতিনিয়তই নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে মাতামাতি থাকেই তার মধ্যে যদি কোন পণ্যের দাম নাগালের বাইরে চলে যায় তখনই ক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিভিন্ন সময়ে নানান কারণ দেখিয়ে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির করে সিন্ডিকেটরা; কখনো তা হয়ে থাকে নেহাতই বাস্তবতার নিরিখে। করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশের বাজারগুলোতে অস্থিরতা দেখা দিলে সরকার তা নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটাই সক্ষম হয়েছে। বেশকিছুদিন ধরেই স্বাভাবিক বাজার দরের মধ্যে থেকে কিছু পণ্যের দাম ওঠানামা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশী পেঁয়াজের দাম  কেজিতে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হলেও ভারতীয় পেঁয়াজ গতকাল ২৫ টাকায় বিক্রি করলেও আজ তা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। আজ বিকালে সাচার বাজার খুচরা ব্যাবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায় সাধারণ মানুষের কাঙ্ক্ষিত দামের মধ্যে নেই কারণ এই ৪০ টাকার দেশী পেঁয়াজ গতবছর এই মৌসুমে ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতেন কিন্তু এ বছর ৪০ টাকার মধ্যেই অনেকদিন ধরে আটকে আছে যা কমে যাওয়ার ইংগিত বহন করছেনা। এরই মধ্যে ভারতীয় পেঁয়াজ নিম্নগামী থাকার পর আজ ৫ টাকা বেড়ে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছ।

অন্যদিকে আজ বিকেলে সাচার বাজার ঘুরে জানা যাচ্ছে মোটা ও চিকন চাল দুটোরই দাম ঊর্ধ্বগামী। বস্তা প্রতি কোন চাল কত টাকা, কবে থেকে বৃদ্ধি ও কেন বৃদ্বি পেয়েছে তা জানতে চাইলে কেউই সুনির্দিষ্ট করে বলছেন না। অধিকাংশ ব্যাবসায়ীরা বলছেন দৈনিকই ১০-২০ টাকা করে বৃদ্ধি পাচ্ছে, একজন ব্যবসায়ী অবশ্য বলছেন গত সপ্তাহের তুলনায় আজকে বাজারে ১০০-১৫০ বেশি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য পণ্যদ্রব্যের মধ্যে প্রতি কেজিতে আটা ২৫ টাকা, দেশী রসুন ৮০-১০০ টাকা, ভারতীয় রসুন ৯০-১০০ টাকা, মোটা মসুরের ডাল ৮০-৮৫ টাকা, সয়াবিন খোলাতেল ৭৫-৮০ টাকা, চিনি ৬০ টাকা ও চায়না আদা ১৩০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে  ।  সার্বিক বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে বড় রকমের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেনা কেউ। কচুয়া উপজেলার স্থানীয় বাজারগুলোর মধ্যে আজ সাচার বাজারে ঘুরে এমনটা জানা যাচ্ছে।

 

আজ সন

আজ সন্ধ্যায় সাচার বাজার থেকে তোলা ছবি।