আজ বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০২:২০ পূর্বাহ্ন


সততার সাথে কাজ করে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান জুয়েল চৌধুরী

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কচুয়া উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান উপজেলা যুবলীগের অন্যতম নেতা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মী মো. রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী জুয়েল। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে এলাকাবাসীর মাঝে রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী জুয়েলের কথা ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে। পাথৈর ইউনিয়ন পরিষদে রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী জুয়েল চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন এমন আলোচনা সকলের মুখে মুখে ও সর্বত্রে আলোচিত হচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী জুয়েল মুঠোফোনে সাংবাদিকদের প্রার্থীতা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকায় বসবাসের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ঢাকায় থাকলেও সর্বদা নিজ এলাকা ও ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে বিভিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এলাকার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা চাইলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অবহেলিত ২নং পাথৈর ইউনিয়নবাসীর স্বপ্ন পূরণে কাজ করতে প্রার্থী হব।
গরীব-বান্ধব সরকারের বিভিন্ন ধরনের অনুদান ও সাহায্য সহযোগীতা সঠিকভাবে সাধারণ গরীব দু:খী মানুষ পায়নি। তাই সৎভাবে কাজ করে পাথৈর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রুপান্তর করতে চান উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ নেতা ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী জুয়েল। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী জুয়েলের ভাবনাগুলো তুলে ধরা হল:-

প্রতিবেদক: কেমন আছেন?
রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী (জুয়েল): জি আলহামদুলিল্লাহ ভাল, আপনি কেমন আছেন?
প্রতিবেদক: আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আপনি একজন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, আমি জানতে চাচ্ছি আপনি কেন চেয়ারম্যান হতে চাচ্ছেন?
রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী (জুয়েল): গত প্রায় ০৯ -১০ বছর ধরে আমাদের ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক ও প্রাথিষ্ঠানিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট থেকে লক্ষ্য করেছি কচুয়ার অর্ন্তগত অন্যান্য ইউনিয়নের তুলনায় আমাদের ২নং পাথৈর ইউনিয়নে কম উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের বর্তমান গরীববান্ধব সরকারের বিভিন্ন ধরনের অনুদান ও সাহায্য সহযোগীতা সঠিকভাবে সাধারন গরীব দুখী মানুষ পায় নি। আমাদের সম্মানীত মাননীয় সংসদ সদস্য ডঃ মহীউদ্দীন খান আলমগীর স্যার আমাদের কচুয়ার অভিভাবক। ওনার মত একজন অভিাভাবক পেয়েও আমরা আমাদের ইউনিয়ন তথা ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারি নাই এটা আমাদের র্দূভাগ্য ও আমাদেরই ব্যর্থতা। তিনি এমন একজন অভিভাবক যার চিন্তা চেতনা শুধু কচুয়ার মাটি ও মানুষের উন্নয়ন। অথচ আমাদের ভুল নেতৃত্বের জন্য এবং কিছু লোভী মানুষের কারণে সাধারন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন না হয়ে গুটি কয়েক লোক আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে। আপনারা সাংবাদিকরা সমাজের আয়না সুতরাং পর্যবেক্ষন করলেই দেখতে পাবেন। তাই আমি একটা চেলেঞ্জ হিসেবে এই দায়িত্ব নিতে ইচ্ছুক। আমাদের অভিভাবক সম্মানীত মাননীয় সংসদ সদস্য ডঃ মহীউদ্দীন খান আলমগীর স্যারের অনুসরণ করে প্রমান করতে চাই ২নং পাথৈর ইউনিয়নের উন্নয়ন করতে এই মূহূর্তে প্রয়োজন এমন একজন সৎ চেয়ারম্যান যার ব্যক্তিগত কোন চাহিদা পূরণে সাধারন মানুষের সরকারী অনুদানে ভাগ বসাতে হবেনা। আমি বিশ্বাস করি সুখ ভাগাভাগি করলে সুখ বাড়ে আর দুঃখ ভাগাভাগি করলে দুঃখ কমে তাই আমি ইউনিয়নের মানুষের সাথে আমার সুখ ভাগ করতে চাই আর তাদের দুঃখের অংশীদার হতে চাই।
প্রতিবেদক: চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত আপনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কি কি কাজ করেছেন?
রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী (জুয়েল):
বর্তমানে আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সমপৃক্ততা নিম্নে দেয়া হলো:
১. সহ-সভাপতি, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ।
২. সদস্য, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।
৩. সভাপতি, বেরকোটা দারুস সুন্নাহ মোহাম্মদীয়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা।
৪. সহ-সভাপতি, মানবাধিকার সংস্থা “ সিডেফ”, খিঁলগাঁও শাখা।
৫. পৃষ্ঠপোষক-অনলাইন নিউজ পোর্টাল, কচুয়া প্রতিদিন।
৬. সদস্য, বাংলাদেশ-চায়না ব্যবসায়ী সমিতি।
ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন পোষাক রপ্তানীকারক ব্যবসায়ী কিন্তু আমি নিজেকে একজন মানবসেবক (মানবাধিকারকর্মী) ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিতে বেশী পছন্দ করি। তবে কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন সংগঠনে জরিত হতে হয়। গত প্রায় ০৯ (নয়) বছর ধরে সমাজ এবং সমাজের মানুষের উন্নয়নে কাজ করা এবং ইউনিয়নের মানুষের দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করে আসছি। চেষ্টা করেছি ইউনিয়নের সকল মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নে সম্পৃক্ত থাকতে। কতুটুকু পেরেছি তা আপনাকে ইউনিয়নের মানুষের কাজ থেকে জানতে হবে।
প্রতিবেদক: যেহেতু আপনার ইউনিয়ন কচুয়া উত্তরাঞ্চলে জরাজীর্ন এলাকা, চেয়ারম্যান হওয়ার পর আপনি উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারবেন কিনা?
রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী (জুয়েল): আমার মূখ্য উদ্দেশ্য আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর আমি দেখাতে চাই সৎ ভাবে কাজ কারলে ইউনিয়নের উন্নয়ন করা এবং জরাজীর্ন এলাকাটা একটা মডেল এলাকা হিসেবে পরিবর্তন করা সম্ভব। যেহেতু বর্তমান সরকার প্রধান মমতাময়ী মা জননেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে এযাবত কালের সবচেয়ে বেশী বরাদ্দ ও গুরুত্ব দিয়েছেন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সেহেতু সারাদেশের উন্নয়ন করা হচ্ছে এবং তা এখন দৃশ্যমান। বিশেষত: আমাদের সম্মানীত মাননীয় সংসদ সদস্য ডঃ মহীউদ্দীন খান আলমগীর স্যার তার নিজ গুনে অন্য সকল সংসদ সদস্যদের এলাকার তুলনায় আমাদের কচুয়ার উন্নয়ন বেশী করেছেন এবং আরো করবেন সুতরাং ওনার সহযোগীতায় আমরা ২নং পাথৈর ইউনিয়ন কে একটা মডেল ইউনিয়নে পরিবর্তন করতে পারি। আমার দৃষ্টিতে এই উন্নয়ন করতে প্রয়োজন শুধু একজন চেয়ারম্যান এর সৎ ইচ্ছা বা সততা এবং এলাকার সবার সহযোগীতা। ইউনিয়ন এর উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বা গরীব দুঃখী দের সাহায্য সহযোগীতা বা সরকারী অনুদান পাওয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে পজেটিভ দিক হলো আমাদের সম্মানীত মাননীয় সংসদ সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর স্যার সকল সময় একজন অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করছেন আর সেই সুবিধাটা কাজে লাগিয়ে আমরা সহজেই ইউনিয়ন তথা ইউনিয়নের মানুষের এর উন্নয়ন করতে পারি।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১