আজ বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন


ফতেপুর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ মীর হোসাইন আমীর

এইচ.কে.শরীফ সালেহীন::আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বাকী আছে আরও কয়েক মাস। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি নির্বাচন কার্যক্রম। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণা শুরু করেছে।

ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তবে তৎপরতা বেশি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের।ভোটাররা এখনই আলোচনা শুরু করেছেন।

গোয়াইনঘাট উপজেলার ৬নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে এলাকার ভোটারদের কাছে এবার নতুন একটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ৮নং ওয়ার্ডের একাধিক বার নির্বাচিত মেম্বার মীর হোসাইন আমীর।

তিনি রামনগর গ্রামের ঐতিহ্যবাহি পরিবার ফতেপুর রাজের বিশিষ্ট মুরব্বী মরহুম খলিলুর রাহমানের সুযোগ্য সন্তান।ছাত্র জীবন থেকে বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড,হত-দরিদ্র জনগণকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে এবং তরুণ সমাজের প্রাণ ছুঁয়েছেন।

এরই মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ফতেপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চা দোকান থেকে শুরু করে প্রতিটি অলি-গলিতে চলছে নানা আলোচনা-পর্যালোচনা।এলাকায় এলাকায় দৌড়ঝাঁপ। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর ছবিসহ ‘দোয়া প্রার্থী’ লেখা পোস্টার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চলছে জোরেশোরে।

এলাকাবাসীরা বলেন,তরুণ এই সমাজকর্মী যার অবদান তরুণ সমাজের কাছে মিষ্টভাষী, সৎ ও ন্যায় পরায়ণ একজন ব্যক্তিকে ফতেপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে বড় প্রয়োজন।আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমরা নতুন চেয়ারম্যান প্রদপ্রার্থী হিসাবে মীর হোসাইন আমীরকে দেখতে চাই এবং ভোট দিয়ে জয়ের মালা পরাবে বলে জানান।

এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন,বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন সময়ে আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে অত্যন্ত গোপনে কর্মহীন ও অসহায়দের সাথে ছিলাম, আগামীতে এলাকার অবেহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আগামী নির্বাচনে এই ফতেপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন বলে মত প্রকাশ করেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন,রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট পর্যটন এলাকা ফতেপুর ইউনিয়নকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করবো। আমি “ক্রীড়া মুখি তরুণ চায়”মাদক মুক্ত সমাজ চায়”আমি যুবকদের উন্নয়নে কাজ করতে চায় এবং এলাকায় আগামীতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, এলাকার মানুষের পাশে থাকা এবং এলাকার উন্নায়নে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।